চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ

এবং ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশের দিকে এগোতে থাকায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বিপদ সংকেত জারি করার পর চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাগর উত্তাল এবং আবহাওয়া অধিদফতরের ৬ নম্বর সংকেতের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বন্ধ হয়ে গেছে পণ্য খালাস কার্যক্রম। বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় শুক্রবার সকাল থেকে লাইটার জাহাজগুলো কর্ণফুলী নদীর নিরাপদ স্থানে ভেড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, বন্দরের মূল জেটিতে কনটেইনার ও কার্গো খালাস স্বাভাবিক রয়েছে। সংকেত বাড়লে ধাপে ধাপে হ্যান্ডলিং কার্যক্রম কমিয়ে আনা হবে। বিদেশ থেকে আমদানি করা গম, ডাল, ক্লিংকারসহ খোলা পণ্যবাহী বড় জাহাজ বেশি ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) কারণে বন্দরের মূল জেটিতে ভিড়তে না পারায় বহির্নোঙরে ছোট জাহাজে (লাইটার শিপ) খালাস করে বিভিন্ন নদীবন্দর ও কারখানার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর সন্ধ্যায় মোংলা বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখানোর নির্দেশনা দেয়। এই নির্দেশনা পাওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বন্দরে অবস্থানরত ১৩টি বিদেশি জাহাজে পণ্য বোঝাই-খালাসের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্দর চ্যানেলে সব নৌযান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

পটুয়াখালি প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে শুক্রবার দুপুর থেকে পায়রা বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পায়রা বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মহিউদ্দিন খান জানান, শনিবার ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি জাহাজের কয়লা নিয়ে আসার কথা ছিল, তাদের আসতে মানা করা হয়েছে।

ট্যাগ্স
আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Leave a Reply

Close