একবার হলেও অলিম্পিকে খেলতে চান এমবাপ্পে

এবং ডেস্ক : ফুটবলের সবচেয়ে বড় শিরোপা জেতা হয়ে গেছে ১৯ বছর বয়সেই। বিশ্বকাপের পর এবার অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হতে চান কিলিয়ান এমবাপ্পে। খেলতে চান ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে। তবে সেই স্বপ্নপূরণের জন্য ক্লাবের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে নারাজ পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অলিম্পিক ফুটবলের জন্য খেলোয়াড়দের ছাড়পত্র দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই ক্লাবের।

তার ওপর পিঠাপিঠি দুটি বড় টুর্নামেন্ট। ১২ জুলাই শেষ হবে ২০২০ ইউরো। আর অলিম্পিক শুরু হবে ২২ জুলাই। ফ্রান্সের হয়ে ইউরো মিশন শেষে আবার অলিম্পিকে অংশ নিলে নতুন ক্লাব মৌসুমের আগে কোনো বিশ্রাম পাবেন না এমবাপ্পে। ইনজুরির ঝুঁকি এড়াতে স্বাভাবিকভাবেই তার অলিম্পিক যাত্রা আটকাতে চাইবে পিএসজি।

সেটা মাথায় রেখেই ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে জানালেন, ‘অলিম্পিকে খেলার ব্যাপারটি পুরোপুরি আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। অবশ্যই আমি অলিম্পিকে যেতে চাই। এটা আমার স্বপ্ন। কিন্তু যদি আমার ক্লাব, যারা আমাকে বেতন দেয়, তারা যেতে দিতে না চাইলে যুদ্ধে জড়াব না আমি। এ নিয়ে ক্লাবের সঙ্গে দ্রুতই আলোচনায় বসব। শেষ পর্যন্ত টোকিওতে যেতে না পারলে ২০২৪ অলিম্পিক তো আছে। অন্তত একবার হলেও অলিম্পিকে খেলতে চাই আমি।’

ফ্রান্স ফুটবল এবার বর্ষসেরা ফরাসি ফুটবলার নির্বাচন করেছে এমবাপ্পেকে। বর্ষসেরার সবচেয়ে বড় পুরস্কার ব্যালন ডি’অরও দেয় ফ্রান্স ফুটবল। এ বছর যা জিতেছেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি। ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে ছিলেন এমবাপ্পেও। কিন্তু মেসি যতদিন ফর্মের তুঙ্গে থাকবেন, ব্যালন ডি’অর জেতা অসম্ভব বলে মনে করেন এমবাপ্পে, ‘গত মৌসুমে মনে হয়েছিল, আমারও সম্ভাবনা আছে।

কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ালেন মেসি। আমি দুই গোল করলে তিনি তিন গোল করেন। আমি তিনটা করলে তিনি করেন চারটা। তাকে ছাপিয়ে যাওয়া অসম্ভব। উসমান ডেম্বেলের (বার্সার ফরাসি ফরোয়ার্ড) কাছে আমি জানতে চেয়েছিলাম মেসি কী আমার খেলা দেখেন! ডেম্বেলে বলেছিল মেসি আমার খেলা দেখেন। মেসির মতো একজন গোনায় ধরছেন, এটাই অনেক বড় প্রাপ্তি।’

পিএসজি সতীর্থ নেইমারকে নিয়েও একটি ভুল ধারণা ভেঙে দিয়েছেন এমবাপ্পে। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডের সঙ্গে দলের মূল খেলোয়াড় হওয়া ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানালেন, ‘আমি যখন প্যারিসে আসি, তখনই নেইমার একজন মহাতারকা। চোটের কারণে ২০১৮ বিশ্বকাপে সেরাটা দিতে পারেনি সে। সেবার আমি বিশ্বকাপ জেতার পরই আমাদের কল্পিত দ্বন্দ্বের খবর ছড়িয়ে পড়ে। আমি নাকি তার জায়গা নিতে চাই! বিশ্বকাপ শেষে প্যারিসে ফিরে প্রথমেই আমি নেইমারের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করেছিলাম। বলেছিলাম, সে রেসে না থাকায় এবার আমি ব্যালন ডি’অরের জন্য লড়াই করতে পারি। একই সঙ্গে বুকে হাত দিয়ে বলেছিলাম, পিএসজিতে তার জায়গা নেয়া আমার লক্ষ্য নয়। সে তার জায়গায় থাকবে। আমি শুধু তাকে সাহায্য করব।’

ট্যাগ্স
আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Leave a Reply

Close